Wednesday, October 20, 2021
Home Blog

বাংলা হ্যাকিং E-Book !!! PDF Free Download

0
বাংলা হ্যাকিং E-Book !!! PDF Free Download
বাংলা-হ্যাকিং-E-Book-!!!-PDF-Free-Download

সেরা ৩টি বাংলা হ্যাকিং E-Book !!!

PDF Free Download

বাংলা হ্যাকিং E-Book !!! PDF Free Download
বাংলা-হ্যাকিং-E-Book-!!!-PDF-Free-Download

আজ আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি বাংলাদেশের বেশকিছু জনপ্রিয় সেরা ৩টি বাংলা হ্যাকিং ই-বুক (E-Book)। আমরা অনেকেই হ্যাকিং শিখতে চাই। কিন্তু সঠিক গাইডলাইন পেয়ে থাকি না বা কোথায় থেকে পাব তা খুঁজে পাই না। এরই প্রেক্ষাপটে আমাদের দেশে বেশ কিছু বড় হ্যাকার বেশ কিছু বই লিখেছেন। তাদের মধ্যে এই ৩টি হ্যাকিং বুক অন্যতম। তাই আপনাদের জন্য খুঁজে খুঁজে সেরা তিনটি হ্যাকিং বুক আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে করতেছি। হ্যাকিং রিলেটেড পোষ্ট ও বই পেতে অবশ্যই আমাদের এই Website ভিজিট করবেন। ইন্টারনেট জগতের অলিগলি জানতে ক্লিক করুন।

আসুন আগে হ্যাকিং সম্পর্কে কিছু বেসিক ধারণা নিয়ে নেই।

এই হ্যাকিং শব্দের মধ্যে রয়েছে একটি আলাদা ঐশ্বরিক ভাবমূর্তি। আমরা ছোট-বড় সবাই মধ্যে এই হ্যাকিং কথাটা শুনলে অন্যরকম ফিলিংস বা চিন্তা ভাবনা আসে। আমরা অনেকে ভাবি হ্যাকিং বা হ্যাকাররা খারাপ আবার অনেকে ভাবি তারা অনেক ভালো।আবারতবে মজার বিষয় আমরা বেশিরভাগ মানুষ এই ভাবি হ্যাকাররা খারাপ। এই হ্যাকিং সম্পূর্ণ খারাপ একটা কাজ। তবে এটা জানলে অবাক হবেন আমাদের বর্তমানে ইন্টারনেট দুনিয়াতে আমাদের দেশ বা পারিপার্শ্বিকতায় হ্যাকারদের ভূমিকা অনেক। সাধারণভাবে বলতে গেলে আপনি আপনার কম্পিউটারে যে ধরনের পাইরেটেড সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করতেছেন, সেগুলো আপনি ফ্রি তে পাচ্ছেন।মূলত হ্যাকাররা সে সকল সফটওয়্যার গুলোকে ক্র্যাক করার মাধ্যমে আপনাকে আপনাকে ফ্রি সার্ভিস দিতে সাহায্য করতেছে। যদি তারা সেটা না করত তবে আমাদের হাজার হাজার ডলার দিয়ে সফটওয়্যার গুলো ক্রয় করে ব্যবহার করতে হতো। এ থেকে আমরা বুঝতে পারি তারা মূলত খারাপ না। তবে ডাক্তাররা যেমন অস্ত্র দিয়ে মানুষ বাঁচায়। তেমনি এই অস্ত্র দিয়ে কিন্তু আবার মানুষ খুন করে। তেমনি ভাবে হ্যাকাররাও হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে পৃথিবীর অনেক সিকিউরিটি আপনাদের সকল ইনফর্মেশন,ডাটা ইত্যাদি সুরক্ষা দিচ্ছে। তেমনি ভাবে অনেক হ্যাকাররা আমাদের ক্ষতির কারণ হয়েও দাঁড়াচ্ছে। এখন বুঝতে হবে হ্যাকারদের মাধ্যমে আমরা আমাদের জীবনে কতটুকু ভাল এফেক্ট পড়তেছে আর কতটুকু খারাপ এফেক্ট পড়তেছে। যদি আপনি দেখেন আপনার ভালো সুবিধা পাচ্ছেন, সে ক্ষেত্রে আপনার কাছে মনে হবে হ্যাকাররা আসলেই ভাল। আর যদি আপনি হ্যাকারদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হন তবে আপনার কাছে এটাই মনে হবেনা হ্যাকাররা আসলেই খারাপ।

হ্যাকারদের প্রকারভেদ

  1. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ( White hat hacker ).
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার ( Black hat hacker ).
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার ( Gray hat hacker ).

মূলত হ্যাকারদের এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

হ্যাকিং কিংবা হ্যাকার নিয়ে কথা বললে আমার এই একটি আর্টিকেল না সারাদিন কথা বললেও শেষ করা যাবে না। আপনি যদি হ্যাকবা হ্যাকিং এর কোন কিছু তথ্য জানতে চান বা শিখতে চান তাহলে অবশ্যই! অবশ্যই!! অবশ্যই!! আপনাকে তিনটা বই পড়া লাগবে। কারনে হচ্ছে এই হ্যাকিং বই তিনটার মধ্যে মূলত হ্যাকিং এর প্রত্যেকটা অংশ যেগুলো আপনার হ্যাকিং ক্যারিয়ার এ সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। কারণ হ্যাকিংয়ের প্রাথমিক ধারণা গুলো এবং সকল খুঁটিনাটি বিষয়গুলো এই বইগুলোর মধ্যে তুলে ধরা হয়েছে।

আর দেরি না করে নিচের দেওয়া লিংক গুলোর মাধ্যমে আপনার বইগুলো সংগ্রহ করতে পারবেন একদম ফ্রীতে। আর এরকম দারুন দারুন হ্যাকিং বা অন্যান্য রিলেটেড বই পেতে আমাদের ওয়েবসাইটি ভিজিট করতে পারেন। তাছাড়া আমরা আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনাদের নানা ধরনের হ্যাকিং ট্রিক শেয়ার করে থাকে, যা আপনারা আমাদের ওয়েবসাইটি মধ্যে পেয়ে যাবেন।

সেরা ৩টি বাংলা হ্যাকিং E-Book

Hacking Jogot

বাংলা হ্যাকিং E-Book !!! PDF Free Download
হ্যাকিং জগৎ Bangla hacking book

Download

Hackology1.0_By_p1n1x_Cr3w

বাংলা হ্যাকিং E-Book !!! PDF Free Download
Hackology1.0_By_p1n1x_Cr3w

Download

HK-Bangla hacking Tutorial E-book 

বাংলা হ্যাকিং E-Book !!! PDF Free Download
HK-Bangla hacking Tutorial E-book

Download

হ্যাকিং শুধু শিক্ষার জন্য বা হ্যাকিং করার জন্য নয়। বরং আসুন আমরা যায় হ্যাকিং সম্পর্কে বেসিক ধারণা নিয়ে ,নিজেদেরকে হ্যাকারদের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখি। প্রতিদিন আমরা হ্যাকারদের ধারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। হয়তো তা আমাদের জীবনে তেমন ইফেক্ট না পড়লেও মাঝে মাঝে তা বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আজ পর্যন্ত। অতি দ্রুত আমরা আবারও আপনাদের জন্য মজার মজার ট্রিক এন্ড টিপস নিয়ে হাজির হবো। টেকনোলজির সাথে নিজেকে আপডেট রাখতে অবশ্যই আমাদের সাথে থাকুন। আর টেকনোলজি সঠিক ব্যবহার করুন।

ইন্টারনেট জগতের অলিগলি Part-1

0
ইন্টারনেট;ওয়েবসাইট;সার্চ ইঞ্জিন;ইন্টারনেট জগতের অলিগলি;ভার্চুয়াল জগত;ইন্টারনেট জগৎ;the techo life;technolifepro;techno life pro;thetecholife;ইন্টারনেট ব্যবহার;ইন্টারনেট কী;ইন্টারনেট ব্যবহারের নিয়ম;ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা;ইন্টারনেট এর ব্যবহার;ইন্টারনেট বাংলাদেশ;digital Bangladesh
ইন্টারনেট-জগতের-অলিগলি

ইন্টারনেট জগতের অলিগলি

ইন্টারনেট;ওয়েবসাইট;সার্চ ইঞ্জিন;ইন্টারনেট জগতের অলিগলি;ভার্চুয়াল জগত;ইন্টারনেট জগৎ;the techo life;technolifepro;techno life pro;thetecholife;ইন্টারনেট ব্যবহার;ইন্টারনেট কী;ইন্টারনেট ব্যবহারের নিয়ম;ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা;ইন্টারনেট এর ব্যবহার;ইন্টারনেট বাংলাদেশ;digital Bangladesh
ইন্টারনেট-জগতের-অলিগলি

ইন্টারনেট জগত নিয়ে কিছু বেসিক ধারণা
Part- 1

বর্তমানে আমরা ইন্টারনেট এর জগতে বাস করতেছি। এই ইন্টারনেট এর কারনে বর্তমানে পৃথিবীর প্রত্যেকটি দেশ হয়ে গেছে এক একটি গ্রাম। যা আমরা পল্লি গ্রাম হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকি। এই ইন্টারনেট এর কারনে আমাদের পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয় চলে আসেছে। এই ইন্টারনেট জগত কে আমরা ভার্চুয়াল দুনিয়া বা ভার্চুয়াল জগত বলে থাকি। আমরা যেভাবে বাস্তব জগতে বসবাস করি ঠিক তেমনি ভাবে এই ইন্টারনেটর ভার্চুয়াল জগতে বসবাস করি। আমাদের অনেকেরই ভাবনা যে এই ইন্টারনেটর ভার্চুয়াল জগতটা খুবই সীমিত। কিন্তু এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। এই রিয়েল ওয়ার্ল্ডে কোন কিছু হলে আমরা তা বিভিন্ন নিউজ বা নানা মাধ্যমে এটার প্রভাব টা সরাসরি বুঝতে পারি। কিন্তু এই ইন্টারনেটের ভার্চুয়াল জগতে প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে অনেক বড় বড় কাজ হয়ে থাকে। যা আমাদের চোখের আড়ালে থেকে যায়। যার কারণে এ ইন্টারনেট জগতটা সম্পর্কে আমাদের ধারণাটি টা খুবই অল্প। ইন্টারনেট এতটাই বিস্তীর্ণ যা আমাদের কল্পনা অতীত। তাই আমি আপনাদের জন্য এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে “ইন্টারনেট জগতের অলিগলি” একটি সিরিজ আকারে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি যার মাধ্যমে আপনারা এই ভার্চুয়াল জগতটা বা ইন্টারনেট জগৎ সম্পর্কে একটু ধারনা পেতে পারেন।আসুন আমরা আগে জেনে নেই কিছু বেসিক বিষয়।

ইন্টারনেট কি (What Is Internet In Bangla) ?

ইন্টারনেট হলো অনেকগুলো কম্পিউটারের সংযোগ। ইন্টারনেট একটি বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত নেটওয়ার্ক সিস্টেম, যা বিভিন্ন ধরনের মিডিয়ার মাধ্যমে তথ্য প্রেরণ করতে আইপি বা টিসিপি ব্যবহার করে। আর একটু সহজ ভাবে যদি বলি ইন্টারনেট হলো, নেটওয়ার্ক (network ) এর এমন একটি বিশাল জাল, যেটা পুরো বিশ্বের (Globally) কম্পিউটার নেটওয়ার্কের (computer network) সাথে পরস্পরে (interconnected) সংযুক্ত (connected) হয়ে আছে। এবং, এই কম্পিউটার নেটওয়ার্ক পরস্পরে একে আরেকটি ডিভাইসের (device) সাথে বিশ্বব্যাপী (worldwide) ভাবে লিংক বা কানেক্ট হওয়ার জন্য “Internet protocol suite (TCP/IP)” ব্যবহার করা হয়।

ইন্টারনেটের ইতিহাস শুরু হয়, ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের অগ্রগতির সাথে সাথে ১৯৫০ সালে। ইন্টারনেট সম্পর্কে জনসাধারণ প্রথম ধারণা প্রবর্তিত হয়েছিল, যখন কম্পিউটার বিজ্ঞান অধ্যাপক লিওনার্ড ক্রাইনরক তার গবেষণাগার ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস (ইউসিএলএ) থেকে অর্পানেটের মাধ্যমে একটি বার্তা স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআরআই) তে পাঠান। নেটওয়ার্ক সরঞ্জামের দ্বিতীয় অংশ সেখানে স্থাপিত করা হয়েছিল। ১৯৬০ সালের শেষ দিকে এবং ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক যেমন ইউকের এনপিএলসিক্লিডিসমেরিট নেটওয়ার্কটিমনেট এবং টেলেনেট এর অর্পানেটে, মার্ক I বিভিন্ন প্রোটোকল ব্যবহার করে উন্নত করা হয়। অর্পানেট বিশেষ নেতৃত্ব দেয় ইন্টারনেটওয়ার্কিং এর প্রোটোকলের উন্নয়নের জন্য, যেখানে নেটওয়ার্কসমূহের একাধিক পৃথক নেটওয়ার্ক একটি নেটওয়ার্কের সাথে যোগ করা যেতে পারে।

অর্পানেটের অ্যাক্সেসের জন্য ১৯৮১ সালে একে সম্প্রসারিত করা হয়, যখন ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশন (এনএসএফ) কম্পিউটার সাইন্স নেটওয়ার্কের (সিএসএনএটি) উন্নয়ন করে এবং আবার ১৯৮৬ সালে যখন এনএসএফনেট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সুপার কম্পিউটার সাইটগুলোতে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়। ১৯৮০ সালের শেষের দিকে এবং ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে বাণিজ্যিক ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারীরা (আইএসপির) আবির্ভাব হতে থাকে। ১৯৯০ সালে অর্পানেট কর্মবিরত করা হয়। ১৯৯৫ সালে ইন্টারনেটকে বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত হয়, যখন এনএসএফনেট কর্মবিরত হয়, ইন্টারনেট ব্যবহারের বাণিজ্যিক বহন শেষ নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে ফেলা হয়।

১৯৯০ সালের মাঝামাঝি থেকে, ইন্টারনেট সংস্কৃতিতে ও বাণিজ্যে এবং কাছাঁকাছি-তাৎক্ষণিক যোগাযোগ যেমন, ইলেকট্রনিক মেইল, ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং, ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল (ভিওআইপি) “ফোন কল”, দ্বি-মুখ ইন্টারেক্টিভ ভিডিও কল এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবসহ ইন্টারনেট ফোরাম, ব্লগ, সামাজিক নেটওয়ার্কিং পরিষেবা এবং অনলাইনে কেনাকাটার ওয়েব সাইটসমূহে একটি বিপ্লবী প্রভাব বিস্তার করে।

গবেষণার এবং শিক্ষা সম্প্রদায় অব্যাহত বিকাশ এবং উন্নত নেটওয়ার্ক যেমন, এনএসএফস’র অতি উচ্চ-দ্রুতগতির ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক পরিষেবা (ভিবিএনএস), ইন্টারনেট২ এবং জাতীয় ল্যামডারেল ব্যবহার করে। বড় ধরনের তথ্য আদান-প্রদান হয়ে থাকে উচ্চতর গতিসম্পন্ন ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের মধ্যে যা ১-Gbit/s, ১০-Gbit/s, বা আরও বেশি হয়।

আজ ইন্টারনেট অনলাইন তথ্য, ব্যবসা, বিনোদন এবং সামাজিক নেটওয়ার্কিং এর জন্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে।

ওয়েবসাইট কি (What is Website)?

বর্তমানে ইন্টারনেট এর সাথে কানেক্টেড হবার জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। ওয়েবসাইট বা ওয়েব সাইট অথবা শুধু সাইট হল কোন ওয়েব সার্ভারে রাখা ওয়েব পৃষ্ঠা, ভিডিও, অডিও ও ডিজিটাল তথ্যের সমষ্টিকে বোঝায়। মূলত কয়েকটি ওয়েব পৃষ্ঠার সমন্বয়ে তৈরি হয় একটি ওয়েবসাইট। একটি সহজ ভাবে বুঝাতে গেলে আপনারা বর্তমানে আমার যে আর্টিকেলটি পড়তেছেন এটি একটি ওয়েব পেজ। আর এই ওয়েবপেজগুলো সমষ্টি হলো এই আমার TechnoLife Pro ওয়েবসাইট।

আমরা জানি ইন্টারনেট ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে। এই মুহূর্তে যদি আমরা বর্তমানে কি পরিমান ওয়েবসাইট লাইভ হচ্ছে তা দেখতে চাই তবে আমরা ভিবিন্ন ওয়েবসাইটের হেল্প নিতে পারি তা দেখবার জন্য। InternetLiveStats এর মতে ১,৮৭৮,৭৯১,০৪৩ টি ওয়েবসাইট অনলাইনে রয়েছে। কিন্তু আপনি যখন লিঙ্কটি চেক করবেন তখন আরও বেশী হতে পারে। এটি শুধুমাত্র সারফেস ওয়েবের হিসাব, যা আপনি Google , Bing বা Yahoo এর মতো সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে খুঁজে পান। এমন হাজার হাজার ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলার মধ্যে আপনি চাইলেই ঢুকতে পারবেন না। সেগুলোর জন্য প্রয়োজন আলাদা কনফিগারেশন এবং আলাদা অ্যাক্সেস। ওয়েবসাইট নিয়ে অন্য একটি পর্বে বৃহৎ ভাবে আলোচনা করব। তবে এমন কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো খুবই বিচিত্র।

সার্চ ইঞ্জিন কি (What is search engine)?

আপনারা এটি পূর্বে সার্চ ইঞ্জিন নামক একটি নামের সাথে পরিচিত হয়ে গিয়েছেন। এখন আপনাদের অনেকের মনে প্রশ্ন আস্তে পারে। এই সার্চ ইঞ্জিন তা আসলে কি ? বা এর কাজ কি ? সার্চ ইঞ্জিন মূলত ওয়েবে সন্ধান ইঞ্জিন বা সফটওয়্যার প্রোগ্রাম। যা ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ করে ও প্রয়োজনের সময় সেই তথ্য প্রদান করে। সার্চ ইঞ্জিন এর মধ্যে মূলত অনেক গুলো রোবট থাকে। যে এই সারফেস ওয়েব কে একটি মাকড়সার জালের নেয় অবোধ করে তা বিচরণ করে। এবং বিভিন্ন জায়গায় থাকা ডিজিটাল তথ্য গুলোকে এক সাথে করে জমা করে। বর্তমানে বেশ কিছু জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুলোর মধ্যে

  • Google.
  • Yahoo.
  • Microsoft Bing.
  • Yandex.
  • Duckduckgo.
  • Baidu.

এই গুলো অন্যতম। সার্চ ইঞ্জিন নিয়ে আরো বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ।

আজ আমরা এ আর্টিকেল এর মাধ্যমে ইন্টারনেট জগতের একটি খুবই সামান্য বেসিক ধারণা পেয়েছি ইন্টারনেটের খুবই ক্ষুদ্রতম একটি অংশের। যেহেতু এই একটি আর্টিকেল এর মাধ্যমে আমাদের ইন্টারনেট জগৎটাকে সম্পূর্ণভাবে জানা সম্ভব না তাই আমরা আমাদের এই সিরিজের দ্বিতীয় আর্টিকেলে আপনাদের সাথে আর একটু বিস্তারিত জানোর চেষ্টা করবো এই ইন্টারনেট জগৎ সম্পর্কে।